শ্রাবণের ধারার মতো…
মৃণালিনী ঠাকুর
উঠে পড়ো দাদু—বলতে বলতে তাজুর গায়ে হালকা ঠেলা দেন বীরেনবাবু। তাজু হাই তোলে, আরমোড়া ভাঙে, তারপর বলে, আজ তো রবিবার, আর একটু ঘুমাই না দাদু !
না তাজু, আজ রবিবার হলেও স্কুলে যেতে হবে আমাদের। তোমার বন্ধুরাও সবাই আসবে। এছাড়া সুভাষ, নীতা, পিনাকি, কবিতা অর্থাৎ সব স্যার ও ম্যামরা। আর মমতামাসিও তো যাবে আমাদের সঙ্গে।
তাহলে কী আজ স্কুলে পিকনিক দাদু ? কিন্তু বৃষ্টির দিনে তো পিকনিক হয় না !
না না পিকনিক নয়। আজ অন্যরকম এক অনুষ্ঠানের বিষয়ে কথা হবে। অনুষ্ঠান পনের দিন পর। আজ শুধু আলোচনা।
বীরভূম জেলার একটি অখ্যাত অঞ্চলে বীরেনবাবুর বাড়ি। জেলা শহরের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তিনি। অবসর নেওয়ার পর গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন, সঙ্গে অনাথ বালক তাজু। তাজুর বাবা রতন বীরেনবাবুর স্কুলে দফতরির কাজ করত। অতিমারির সময়ে জীবাণু সংক্রমণে রতন ও তার স্ত্রী দুজনেই এক সপ্তাহ আগে-পরে মারা যাওয়ার পর, তাজু একেবারে একা হয়ে পড়ে। তারপর থেকে তাজু বীরেনবাবুর নাতি। তবে এ গল্প তাজু বা বীরেনবাবুর নয়। একটু আগে যে স্কুলের কথা আমরা বীরেনবাবুর মুখে শুনলাম, ‘কিশলয়’ নামের সেই স্কুলই হলো এই গল্পের পটভূমি।
গ্রামে ফিরে আসার পর, এলাকার নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুকিশোরদের জন্য স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন বীরেনবাবু। তাঁর প্রাক্তন ছাত্রদের একটি বিরাট অংশ বছরভর অনুদান পাঠিয়ে কিশলয়ের হৃদয়ে অক্সিজেন সরবরাহ করে চলেছে। এলাকারই শিক্ষিত চার তরুণ-তরুণী স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে স্কুলে সামান্য বেতনের পরিবর্তে শিক্ষকতার দায়ভার কাঁধে তুলে নিয়েছে। মোটামুটি এই হলো অবৈতনিক জুনিয়র হাইস্কুল কিশলয়ের অন্তরকথা। আপাতত ক্লাস সিক্স পর্যন্ত চালু করা হয়েছে স্কুল। ছাত্রছাত্রী সংখ্যা প্রায় একশো।
চার তরুণ শিক্ষকের কথা তো আগেই বলেছি। এবার মমতার বিষয়ে জানাবো। ইনি এলাকার একজন অসহায় মহিলা। বীরেনবাবু গ্রামে ফিরে এইসব স্কুল ইত্যাদি শুরু করার পর, পুরোনো বন্ধু যতীন বাগচির মধ্যস্থতায় বীরেনবাবুর ঘরকন্নার দায়িত্ব মমতার ওপর পরে। যতীনবাবু গ্রামের প্রাক্তন জমিদার, স্কুলের জমিটি তিনিই দিয়েছেন। বীরেনবাবুর বাড়ির কাজকর্ম শেষ হলে, বনানী স্কুলে যায়। সারাদিন সেখানকার ফাইফারমাস খাটে। তারপর বাড়ি ফিরে আবার বাড়ির কাজ। বনানী ছিল বলে তাজুকে নিজের সঙ্গে রাখার সাহস পেয়েছেন বীরেনবাবু, এ কথা বলাই বাহুল্য।
মমতার বানানো রুটি তরকারি খেয়ে তাজুর হাত ধরে বীরেনবাবু সাইকেল রিকশায় উঠতে না উঠতে ঝাঁপিয়ে এলো বৃষ্টি। মমতা তখন সাইকেল বের করছে। বৃষ্টি দেখে সাইকেলের কেরিয়ার থেকে রেনকোট বের করে পরে নেয় সে। এতে খানিকটা দেরি হয়। বীরেনবাবুরা ততক্ষণে অনেকটা এগিয়ে গেছেন। মমতা তাড়াতাড়ি প্যাডেল চালায়। সময়টা শ্রাবণের শুরু। যেতে যেতে আকাশ দেখেন বীরেনবাবু। ধূসর মেঘের ছোঁয়ায় কেমন যেন বিষন্ন শ্রাবণের আকাশ। বাদল বাতাসে বেদনার সুর। মনে মনে কোথায় হারিয়ে যান প্রবীণ মানুষটি। সেই মহৎ স্রষ্টার চির বিদায়ের দিনটিতে। তিনি নিজে তখন নিতান্তই কিশোর। কলকাতায় যাবার অনুমতি ছিল না বাড়ি থেকে। যা কিছু জেনেছেন, অনুভূতিতে ছুঁয়ে দেখেছেন–সবই পত্রপত্রিকার দৌলতে।
চমক ভাঙে তাজুর স্পর্শে—স্কুল এসে গেছে দাদু!
হ্যাঁ, দাদু। চলো ভিতরে যাই, গাঢ় কণ্ঠে বলেন তিনি। অতীতের স্মৃতির পাতা থেকে যেন জোর করে বর্তমানে নিয়ে আসেন নিজেকে। ততক্ষণে হলঘরে শিশু-কিশোর কণ্ঠের শোরগোল শুরু হয়ে গেছে–বীরেনবাবুকে দেখে যা কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে।
সবাই একটু স্থিতু হয়ে বসতেই পিনাকী উঠে দাঁড়ায়। তার হাতে কিছু কাগজের গোছা, তার থেকেই একটি সে এগিয়ে দেয় বীরেনবাবুর দিকে। তিনি একবার কাগজটিতে চোখ বুলিয়ে টেবিলে রেখে দেন। একবার দেখে নেন হলঘরের ছবিটা। একদল উৎসুক কচি মুখ চোখে পড়ে তাঁর। তিনি বলে ওঠেন, আজ আমরা কেন এখানে একত্রিত হয়েছি সেটা তো নিশ্চয়ই বলব। তার আগে তোমরা বলো তো, বাংলা বর্ণমালা শেখার জন্য কে তোমাদের জন্য ‘সহজ পাঠ’ লিখেছেন ?
কোরাসে কচিকণ্ঠে শোনা যায় ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর‘।
আর প্রথম কোন ভারতীয় নোবেল পুরস্কার পান?
শিশুদের কলকণ্ঠে আবারও একই নামের প্রতিধ্বনি ওঠে।
তোমাদের মধ্যে অনেকেই বীরপুরুষ, বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, প্রশ্ন ও তালগাছ কবিতা পড়েছ। স্কুলের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আবৃত্তিও করেছ, এসব কবিতা। যারা গল্প পড়তে ভালোবাসো, তারা কাবুলিওয়ালা, ছুটি পড়েছ। গতবছর তোমাদের দিয়ে ‘ইচ্ছাপূরণ‘ নাটক করালেন সুভাষ স্যার। মনে করে বলো তো এই সমস্ত কবিতা, গল্প ইত্যাদি কার লেখা ?
খুশির উচ্ছ্বাসে ওরা আবারও বলে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর !!
এবার বীরেনবাবুর গলা কিছুটা গভীর ও গম্ভীর, বললেন–
আজ তোমাদের এই মহান স্রষ্টা, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলে যাওয়ার দিনের গল্প বলব।
সেও ছিল আজকের মতো বর্ষণমুখর এক শ্রাবণের দিন। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রবীন্দ্রনাথ। বাঙালির সে বড় বেদনার দিন। আর এ বেদনা পরম আপনজন হারানোর, যার প্রকাশ ঘটেছিল সেইদিন তাঁর শেষযাত্রায় অগণিত শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে। সেখানে যেমন ছিলেন বহু খ্যাতনামা ব্যক্তি, তেমনই অসংখ্য সাধারণ মানুষ।
বলতে বলতে উদাস হয়ে যান বীরেনবাবু। তাঁর কণ্ঠ যেন রুদ্ধ হয়ে আসে। ঠিক তখনই ঘরের বাইরে একটা শব্দ হয়, কিছু একটা পড়ে যাবার শব্দ। দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল মমতা। সবার আগে সেই ছুটে বাইরে যায়, পিছনে নীতা আর সুভাষ। বাচ্চারা উসখুস করছিল। কবিতা আর পিনাকী ওদের সামলানোর চেষ্টা করল। বীরেনবাবু হঠাৎ কেমন ক্লান্ত বোধ করেন। তাজু দাদুর দিকে তাকিয়ে কিছু বোঝে আর সঙ্গে সঙ্গে একটা চেয়ার এগিয়ে দেয় বীরেনবাবুর দিকে। বীরেনবাবু বসে পড়েন।
এদিকে মমতা আবিষ্কার করে এক বালিকাকে, তার শরীর শীর্ণ, মলিন বস্ত্র।
নীতা বলে, মনে হচ্ছে অজ্ঞান হয়ে গেছে।
মমতাদি স্যারের ঘর থেকে ফার্স্ট এইড বক্সটা নিয়ে আসবেন প্লিজ?–বলে সুভাষ।
মমতা ছুটে যায়। এরই মধ্যে বীরেনবাবু বেরিয়ে আসেন। এখন তিনি অনেকটা স্বাভাবিক। আসলে ২২শে শ্রাবণের কথা উঠলেই কত যে স্মৃতি ! কিন্তু এখন এসব নয়, এখন মেয়েটিকে দেখতে হবে।
সুভাষ ও নীতার পরিচর্যায় একটু পরে মেয়েটি চোখ মেলে তাকালো। মমতা এরইমধ্যে কিছু দূরের এক চায়ের দোকান থেকে এক গ্লাস গরম দুধ আর একটি কেক নিয়ে এসেছে। সেসব খাওয়ার পর একটু সুস্থ হয়ে মেয়েটি উঠে বসল।
নীতা বলল, স্যার একে হলঘরে নিয়ে যাই ?
অবশ্যই–চটপট জবাব দিলেন বীরেনবাবু।
হলঘরে ততক্ষণে চাপা গুঞ্জন শুরু। সেও নানাবিধ কারণে। একে তো বাইরে হঠাৎ এমন কী ঘটল যে সবাই একত্রে ছুটল সেদিকে! নেহাৎ তাদের যাবার অনুমতি নেই, আগেই চোখ পাকিয়ে বলে দিয়েছে পিনাকী স্যার। অন্যদিকে সেই সকালে বাড়ি থেকে সামান্য কিছু খেয়ে এসেছে ওরা। এখন বেলা দুপুর গড়িয়েছে। খিদেয় পেট টনটন সবার। মমতা যেন কতকটা ওদের ভাবগতিক বুঝেই বলে ওঠে, চিন্তা করো না বাচ্চারা , তোমাদের খাবার এখনই আসছে, জমিদারগিন্নি খবর পাঠিয়েছেন। প্রসঙ্গত, জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলেও গ্রামের মানুষের কাছে যতীন বাগচীর স্ত্রী নিরুপমা জমিদারগিন্নি বলেই আজও সম্মান পান। এই স্কুলটির জন্য বাগচীদের কর্তা-গিন্নি দুজনেরই মায়ামমতা রয়েছে। আজও সেই তাগিদেই গিন্নিমার নির্দেশে জমিদার বাড়ির তিনজন পরিচারক লুচি, আলুর দম আর মিষ্টির গামলা নিয়ে হাজির। সেইসব দেখে হলঘরে ঢোকা নতুন অতিথিকে ভুলে হলঘরের পাশের ক্লাসরুম, যা আপাতত খাবার ঘরে পরিবর্তিত–সেখানে ছুট লাগায় খুদের দল।
খাবারের তত্ত্বাবধানে মমতার সঙ্গে হাত মেলায় নীতা আর কবিতা। এই ফাঁকে বীরেনবাবু সুভাষ আর পিনাকীকে নিয়ে ২২ শে শ্রাবণ উদযাপনের পরিকল্পনায় বসে পড়েন। এখন নিজেদের মধ্যে কথা। পরে ছাত্রছাত্রীদের বুঝিয়ে দিলেই চলবে। আলোচনার ফাঁকে হঠাৎই মেয়েটির দিকে চোখ পড়ে বীরেনবাবুর। একটি চেয়ারে অত্যন্ত সঙ্কুচিত হয়ে বসে আছে সে, তার উদাস চোখের দৃষ্টি জানালার বাইরে। মাঝে কিছুক্ষণ বৃষ্টির বেগ কমেছিল। এখন আবার অঝোর ধারায় শুরু। আলোচনা শেষে সুভাষ আর পিনাকী পাশের ঘরে খেতে গেছে। বীরেনবাবু মমতাকে ডাকেন। মমতা এলে বলেন, তোমাদের সবার খাওয়া হয়েছে ?
হ্যাঁ স্যার। আপনার খাবার আনি?
আমার একার নয়, ওই ওকেও দাও আমার সঙ্গে। কবিতা এসে টেবিল সেট করে দেয়। তারপর মেয়েটিকে হাত ধরে বসায় বীরেনবাবুর উল্টোদিকে।
রাত গভীর। তাজু বিছানায় শুয়ে ঘুমে কাদা। মমতার সঙ্গে শুয়েছে পুনি। ভালো নাম পূর্ণিমা, এই নামেই স্কুলের দিদিমনিরা তাকে ডাকত। হ্যাঁ স্কুলে পড়ত পূর্ণিমা ওরফে পুনি। এখান থেকে কয়েক ক্রোশ দূরের এক গ্রামে তাদের বাড়ি ছিল। দামোদরের আগ্রাসী বন্যায় সবাইকে হারিয়ে কিছুদিন এক সাময়িক সরকারি শেল্টারে ছিল সে। তারপর নানা হাত ঘুরে কেমন করে আজ স্কুলের গেটে ঢুকে পড়েছিল পুনি, মনে করতে পারে না। গ্রামেরই দু’একজন তার কাছাকাছি বয়সের মেয়ে, পুনির অবস্থা দেখে নিজেদের কিছু জামাকাপড় দেওয়ায় আপাতত স্বস্তি। মমতাকে কালই বাজারে পাঠিয়ে ওর জন্য জরুরি যাবতীয় জিনিস কিনিয়ে আনতে হবে, ভাবেন বীরেনবাবু।
আজ আর ঘুম আসবে না। তাজুর পর পুনি–এমন অগণিত শিশু অসহায়ভাবে বেঁচে আছে চারপাশে। ক’জনকে দেখবেন তিনি ? তাঁর নিজেরও তো বয়স হয়েছে। সরকারি অনাথ আশ্রমের যা গল্প শোনেন, ভরসা হয় না। কিছু এনজিও’র সঙ্গে পরিচয় আছে তাঁর। তাদেরও কেউ কেউ অনাথ বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করে। কে জানে, ভবিষ্যতে হয়তো তাদেরই শরণাপন্ন হতে হবে। বীরেনবাবুর দৃষ্টি জানালাপথে ধাবিত হয় সামনের অন্ধকারে। তাঁর মনে মনে গুঞ্জরিত হয়, যে শাখায় ফুল ফোটে না, ফল ধরে না একেবারে/তোমার ওই বাদল বায়ে দিক জাগায়ে সেই শাখা রে…! পারবেন কী তিনি তাজু আর পুনিকে মানুষ করে তুলতে ? আইনকানুন নিয়ে এতদিন মাথা ঘামাননি। সময়ও পাননি। এবার সেদিকটা দেখতেই হবে।
ইতিমধ্যে কেটে গেছে কয়েকদিন। স্কুলে জোরকদমে রিহার্সাল চলেছে ২২শে শ্রাবণ উদযাপন অনুষ্ঠানের। স্কুলের পিছনের মাঠে ভারী ত্রিপল টাঙিয়ে অনুষ্ঠান হবে, যাতে বৃষ্টি বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। এইসব ব্যবস্থার সবই অবশ্য যতীনবাবুর। পাড়ার ছেলেরাও যে যখন সময় পায়, হাত লাগায় কাজে। অবশেষে এসে যায় নির্দিষ্ট দিনটি। বিকেল হতেই সেজেগুজে রেডি শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীর দল। সন্ধ্যা নামতেই অনুষ্ঠান শুরু। ধূসর মেঘে ঢাকা শুরুর বক্তব্য রাখতে মঞ্চে ওঠেন বীরেনবাবু–
“রবি ঠাকুরের সুদীর্ঘ ৮০ বছরের জীবনে বর্ষা ছিল তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ঋতু। বিশেষত শ্রাবণ মাসকে ঘিরে তাঁর রচনায় মেলে অপূর্ব দর্শন, গভীর জীবনবোধ। ঈশ্বরের কী লীলা দেখো, প্রকৃতির এই স্নিগ্ধ-সজল সময়টাই তাঁর প্রয়াণ দিবস হিসেবে ইতিহাসে চিরকালের জন্য যুক্ত হয়ে গেল। যে বৃষ্টি আর মেঘকে তিনি ভালোবেসেছিলেন, তা যেন তাঁর শেষযাত্রাতেও এক বিষণ্ণ ও মায়াময় প্রকৃতির সৃষ্টি করেছিল।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তিনি তাঁর জীবনদর্শনের জয়গান গেয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তাঁর সৃষ্টির মাঝেই তিনি প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন”– বক্তব্য শেষ। এরপর তো গঙ্গাজলে গঙ্গা পুজো। তাঁরই সৃষ্ট কবিতা, গান, গানের সঙ্গে নাচ, নাটক ইত্যাদি দিয়ে বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস পালন করল শিশু-কিশোরের দল। সবশেষে কোরাসে ‘আলো আমার আলো ওগো…’, সব শিক্ষক আর বীরেনবাবু গলা মেলালেন। আর হ্যাঁ, পুনিও সবার সঙ্গে লাজুক লাজুক মুখে গাইলো আলোয় ফেরার গান।
পাঠকদের মন্তব্য
250