একটি স্বাধীন দেশ মানে শুধু একটি মানচিত্র নয়, এটি অগণিত মানুষের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম আর স্বপ্নের ফসল। স্বাধীনতা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই বীর শহীদদের কথা, যাঁরা নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন আমাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।
ছড়ার ছন্দে নির্মল আনন্দের অবাধ আয়োজন! কত না বিষয়, কত রঙ-রস-বাহার! ছত্রে ছত্রে মুখর শব্দরা।
রিয়া বনবীথিকা বালিকা বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তার একটি অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। সে সবকিছু নিয়েই প্রশ্ন করত। একদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় একটি কালো বিড়াল রাস্তা পার হয়ে গেল।
তেরো বছর বয়সেই আমি ভেড়া চরানো বেশ ভালোভাবেই শিখে গিয়েছিলাম। আমাদের আর আমাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীদের প্রায় পাঁচশো ভেড়া আমি চরাতে নিয়ে যেতাম এবং ছ’মাস ধরে কী দিন, কী রাত এই ভেড়াগুলোকে নিয়েই আমাকে পড়ে থাকতে হতো চারণক্ষেত্রে।
উঠে পড়ো দাদু—বলতে বলতে তাজুর গায়ে হালকা ঠেলা দেন বীরেনবাবু। তাজু হাই তোলে, আরমোড়া ভাঙে, তারপর বলে, আজ তো রবিবার, আর একটু ঘুমাই না দাদু ! না তাজু, আজ রবিবার হলেও স্কুলে যেতে হবে আমাদের।
তোমরা নিশ্চয়ই অনেকেই পেন ব্যবহার করো। পেন অর্থাৎ কলম। লেখাপড়ার ক্ষেত্রে পেন ছাড়া তো এক মুহূর্তও চলবে না।
ছোট্টো বন্ধুরা, তাজপুর, মন্দারমণি, দিঘা, শঙ্করপুর–এই নামগুলো শুনলেই মনে হয় যেন, কতবার গিয়েছি। আবার যাওয়া কেন বাপু! তাই না? কিন্তু এই অতি চেনা জায়গাগুলোর মধ্যেও যদি খুঁজে পাওয়া যায় লুকোনো কোনো মজাদার কিছু, তাহলে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়।
হাসি আর মজার নির্মল আয়োজন কৌতুক নকশায়। ছোটদের পাশাপাশি এই উপহার পেয়ে খুশি বড়রাও।
ছোটোদের আঁকা রংবাহারি ছবিতে সাজানো হয়েছে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।