বর্ষার বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতিতে আসে এক মায়াবী পরিবর্তন। ঘুম ভাঙে শিউলির সুবাসে। নীল আকাশে ভেসে বেড়ায় তুলোর মতো সাদা মেঘ।
ছড়ার ছন্দে নির্মল আনন্দের অবাধ আয়োজন! কত না বিষয়, কত রঙ-রস-বাহার! ছত্রে ছত্রে মুখর শব্দরা।
দশ বছরের মেয়ে শিখি কোনোদিন সামনে থেকে শেয়াল দেখেনি। কেবল শেয়ালের ছবি দেখেছে। আর দেখেছে কালী ঠাকুরের হাতে ধরা কাটা মুন্ডুর তলায় জিভ বার করে দাঁড়িয়ে থাকা শেয়ালের মূর্তি।
এক ছিল শজারু আর ছিল তার এক ভাইপো। ভাইপোকে নিয়ে শজারুর দিন কাটে। একদিন তার বড় তেষ্টা পেল।
বনের ধারে একটা বড় আমগাছে থাকত ছোট্ট একটা চড়ুই পাখি। তার নাম ছিল টুকটুক। টুকটুক খুব পরিশ্রমী ছিল।
মহানায়ক উত্তমকুমার (অরুনকুমার চট্টোপাধ্যায়) বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে পরিচিত।
প্রতি বছর মা দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় উদগ্রীব হয়ে থাকি আমরা l পুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী জড়িয়ে পুজোর ছুটি। আর পূজো শেষ হতেই ভ্রমণপিপাসু মন ছুটে যায় প্রকৃতির সৌন্দর্য অন্বেষণে।
হাসি আর মজার নির্মল আয়োজন কৌতুক নকশায়। ছোটদের পাশাপাশি এই উপহার পেয়ে খুশি বড়রাও।
ছোটোদের আঁকা রংবাহারি ছবিতে সাজানো হয়েছে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।