এসে গেল বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় ও আনন্দময় উৎসব দুর্গাপূজা। তোমরা নিশ্চয়ই জানো, শরৎকালের মনোরম পরিবেশে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয় বলে একে 'শারদীয়া দুর্গোৎসব' বলা হয়।
ছড়ার ছন্দে নির্মল আনন্দের অবাধ আয়োজন! কত না বিষয়, কত রঙ-রস-বাহার! ছত্রে ছত্রে মুখর শব্দরা।
রূপু তো কলকাতার পুজো ছেড়ে আসতেই চায়নি। কলকাতার পুজোয় কত মজা। ওদের পাড়ার পার্কে যে পুজো হয় তার তো কত নাম-ডাক। কত কত লোক কত কত দূর থেকে আসে ওদের পাড়ার ঠাকুর দেখতে।
অনেক অনেক দিন আগে কোনো এক গ্রামে বাস করত মস্ত এক ধনী লোক। তার ছিল একটি মাত্র কন্যা সন্তান। পরমা সুন্দরী সেই কন্যার যেমন সুন্দর দেহ-বল্লরী, তেমনি সুশ্রী লাবণ্যে ভরা তার মুখ।
ইশ্! ছানাগুলো সবে চোখ পিটপিট করে তাকাচ্ছিল, অমনি ডিস্টার্ব! মা-টাও না-! ভারী বিরক্ত টোটন। তবু মায়ের ডাকে সাড়া দেয় ও।
ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই পাখি খুব ভালবাসো। মাঝে মাঝে হয়তো আকাশের দিকে তাকিয়ে উড়ে যেতেও ইচ্ছে করে, তাই না? মনে হয় পাখিরা ভারি খুশি।
তোমরা অনেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নাম শুনেছ। যারা জানো না, তাদের বলি–আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ হলো ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, যা বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
হাসি আর মজার নির্মল আয়োজন কৌতুক নকশায়। ছোটদের পাশাপাশি এই উপহার পেয়ে খুশি বড়রাও।
ছোটোদের আঁকা রংবাহারি ছবিতে সাজানো হয়েছে ‘তোমাদের পাতা‘। ছবি ছাড়াও এই বিভাগে থাকে ছোটোদের লেখা ছড়া ও গল্প।
ছোটোদের চাঁদের হাসি ডিজিটাল-এর জরুরি তথ্য ও যোগাযোগ সূত্র পাবেন এই পাতায়।